জাতীয়দেশজুড়েস্বাস্হ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ২১৮ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ২১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৬৮৫ জনের মৃত্যু হলো।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার (৩১ জুলাই) এ সব তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, একই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩৬৯ জন নতুন রোগী। এ নিয়ে দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলেন মোট ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৪ জন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ১৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৭৮ হাজার ২১২ জন করোনা রোগী। সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৯৭৬ জনের। আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ৩০ হাজার ৯৮০টি।

নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৭ লাখ ৪০ হাজার ৮৯৪টি।

মোট পরীক্ষার তুলনায় এ পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।

আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন রোগীর সংখ্যা কমেছে। আগের দিন মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৪৫ হাজার ৪৪ জনের। ওই সময় রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৩ হাজার ৮৬২ জন। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ২১২ জনের। আজকে শনাক্ত কমলেও মৃত্যু কিছুটা বেড়েছে।

নতুন রোগী কমলেও পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার প্রায় আগের দিনের মতো ৩০ শতাংশের ওপরেই আছে। শুক্রবার শনাক্তের হার ছিল ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আজকে রোগী শনাক্তের হার হয়েছে ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

আগের দিন ৪৫ হাজার ৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা হলেও পরের দিন নমুনা প্রায় ১৫ হাজার কম পরীক্ষা করা হয়েছে। এই কারণে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা কমেছে।

করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য দেশে পরীক্ষাগার ছিল ৬৮৯ টি। এর মধ্যে আরটি পিসিআর ল্যাব ১৩২টি, জিন এক্সপার্ট ল্যাব ৫৩টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাব ৪৬৪টি।

শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৬ জন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩৪ জন, মহিলা ৮৪ জন। এ পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেছেন ১৪ হাজার ৩ জন, নারী মারা গেছেন ৬ হাজার ৬৮২ জন। আক্রান্ত বিবেচনায় পুরুষের মৃত্যুর হার ৬৭ দশমিক ৭০ শতাংশ, মহিলা মৃত্যুর হার ৩২ দশমিক ৩০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ৫৫ জন, খুলনা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ২৭ এবং রাজশাহীতে ২২ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৩৪ জন পুরুষ এবং ৮৪ জন নারী। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ৩ জন এবং নারী ৬ হাজার ৬৮২ জন। এদের মধ্যে ১৩ জন বাসায় মারা গেছেন। আর বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে— গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১০০ বছরের বেশি দুইজন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে চারজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের ১৫ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের ৩৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ৬৬ জন , ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৩৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৩৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১৭ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের ছয়জন ও ১ থেকে ১০ বছরের একজন মারা গেছেন।

এদিকে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কাউকেই করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ কিংবা দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়নি।