অন্যান্য সংবাদ

বিয়ের আসরে বরের অফিস!👨‍👨‍👦‍👦

থেকে উঠেই বাসায় বসে কম্পিউটারের সামনে। কারণ, চাকরি ঢুকে গেছে অনলাইনে। অফিসে না গিয়েও, বাসায় বসে অফিস করা যায়। ডাক্তারের সেবা পাওয়া যায়। পণ্য কেনা যায়।

কিন্তু বিয়ে? বিয়ে কি অনলাইনে করা যায়? এ নিয়ে অনেক মত-মতান্তর আছে। তবে ভারতের একটি বিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে নাড়িয়ে দিয়েছে। একটি ভিডিও রাতারাতি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যায়, বিয়ের আসরে পাত্রী সেজে বসে আছেন। আত্মীয়-স্বজনরা প্রস্তুত। পুরোহিত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করার জন্য অপেক্ষা করছেন। কিন্তু পাত্র সেই অনুষ্ঠানেই সবাইকে বসিয়ে রেখে অন্যপ্রান্তে একটি ল্যাপটপে ব্যস্ত। কারণ, বিয়ের দিনে তার জরুরি মিটিং কল করা হয়েছে। অগত্যা আর কি করা! বর বেশেই তিনি ল্যাপটপে অফিস করা শুরু করলেন। পাত্রী ও অন্যরা অপেক্ষায় প্রহর গুনতে লাগলেন। এ ঘটনা বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সব সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি শিরোনাম হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ফার্স্ট পোস্ট।
দুলহানিয়া নামের একটি ইন্সটাগ্রামে কেউ একজন প্রথমে ওই ভিডিওটি পোস্ট করেন। এতে সবাই অপেক্ষা করছিলেন পাত্রীর প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য। তিনি বধুবেশে অপেক্ষা করছেন। যখন ক্যামেরা তার দিকে ঘুরছিল, তিনি উচ্চৈঃস্বরে হেসে উঠছিলেন। অন্যদিকে ক্যামেরা যখন মারাঠি পাত্রের দিকে ঘুরছিল, তিনি তখনই তার হাত রাখছিলেন ল্যাপটপের ওপর। জানাচ্ছিলেন, শেষ হয়ে আসছে। বিয়ের জন্য প্রস্তুত। ওদিকে ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম নাহ্, ইট ইজ ওয়ার্ক ফ্রম ওয়েডিং’। অর্থাৎ এটা বাসা থেকে অফিসের কাজ নয়। এটা হলো বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে অফিসের কাজ।

এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যবহারকারীর মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। তারা অনেকে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, যা তারা নিজেরা এই মহামারিকালে মোকাবিলা করেছেন। এ নিয়ে যখন ওই ভিডিওতে মন্তব্যে সয়লাব হয়ে যাচ্ছিল, তখন অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন অতিথি বলেছেন, পাত্র ভিডিও কল করেছিলেন। তিনি অন্য আত্মীয়দের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন। এসব আত্মীয় বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি বলে তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলছিলেন।
তবে এ ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরুতে একটি ছবি প্রকাশ পায়। তাতে দেখা যায়, পাত্রী যখন অপেক্ষায় রয়েছেন, তখন বর ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে আছেন। এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলে।