পটিয়ার খবর

পটিয়ায় বয়োবৃদ্ধ নুরুল হক মেম্বারের চরিত্র হননের চেষ্টা!

পটিয়া নিউজ : চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা শোভনদন্ডী ইউনিয়নের ৭ নং হিলোচিয়া ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল হকের চরিত্র হনন করে এক  প্রবাসীর স্ত্রী পটিয়া থানা শ্লীলতাহানীর অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মর্জিয়া বেগম নামে এক মহিলা গত ১৩ অক্টোবর প্রকাশ্য দিবালোকে ঐ মেম্বারের বিরুদ্ধে যৌনহয়রানির অভিযোগ আনেন।  তার এই অভিযোগকে বানোয়াট মিথ্যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান এহসান উল্লাহ বলেন, ২০০৯ সালে এলাকার বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি আব্দুল্লাহর সাথে প্রবাসীর স্ত্রী মর্জিয়া ও তার স্বামী আলী মুন্সীর জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সালিশ হলে মেম্বার নুরুল হক বিচার করেন। এতে আলী মুন্সির বিরুদ্ধে  রায় যায়। সে থেকে তারা মেম্বারের উপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে নানা ফন্দি-ফিকির করতে থাকে।
এছাড়া এলাকাবাসী ঐ পরিবারকে সমাজচ্যুত করে রাখে।
এপ্রেক্ষিতে গত ১৩ অক্টোবর সকাল দশটায় স্থানীয় দোকানে মেম্বার নুরুল হককে দেখে মর্জিয়া বেগম মারধর শুরু করে।
এইসময় দোকানদারসহ ক্রেতা-বিক্রেতারা জড়ো হয়ে মহিলাকে বাধা প্রদান করেন।  একপর্যায়ে মেম্বারের সন্তানেরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে মেম্বারকে উদ্ধার করেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মর্জিনা বেগম পটিয়া থানায় তার শ্লীলতাহানি জন্য মেম্বার কে দায়ী করে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হোসেন ঘটনাস্থলে তদন্ত করতে যান। সেখানে শত শত এলাকাবাসী মহিলার শ্লীলতাহানির কথা অস্বীকার করে মেম্বারকে মারধরের কথা তুলে ধরেন।
তারা বলেন, শ্লীলতাহানির অভিযোগ মিথ্যা।
পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন পারিবারিক ও এলাকার বিরোধ নিয়ে নারী নির্যাতনের অভিযোগ আনা খুবই দুঃখজনক।
তিনি বলেন মেম্বার একজন বয়স্ক লোক। তার বয়স প্রায় ৭০/৭৫ বছর। 
এদিকে মহিলার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য,  নুরুল হক মেম্বার তিনবার এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সেবা দিয়ে আসছেন। মধ্যম হিলোচিয়া মাদ্রাসার তিনি সভাপতি। চামুদরিয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারি সহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে জড়িত। মহিলা কর্তৃক লাঞ্চিত হবার প্রতিকার চেয়ে তিনি পটিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।