জাতীয়পটিয়ার খবরপ্রিয় চট্রগ্রামস্বাস্হ্য

এসআলম গ্রুপের অর্থায়নে জেনারেল হাসপাতালে চালু হলো সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন

অবশেষে জেনারেল হাসপাতালে বসানো হয়েছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট; চালু হয়েছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন। প্রায় ৮০ লাখ টাকার অর্থায়নে এই প্লান্ট নির্মাণ করা হয়।

ফলে এখন থেকে নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সেবা পাবেন রোগীরা।  

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্লান্টটির সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়। এরই মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাইও শুরু হয়েছে।  

শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের আর্থিক সহযোগিতায় এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন বাসানো হয়।  

১৩ হাজার লিটার তরল অক্সিজেন ধারণ ক্ষমতা সম্বলিত প্লান্টটি একবার পূর্ণ করলে স্বাভাবিক সময়ে ২-৩ সপ্তাহ নিরবিচ্ছন্নভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।  

তবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অক্সিজেনের চাহিদা বেশি থাকায় এক সপ্তাহ বা তারও কম সময় ব্যবহার করা যাবে অক্সিজেন।  

প্রাথমিক ভাবে ৬ হাজার লিটার তরল অক্সিজেন দিয়ে চালু করা হয়েছে প্লান্টটি। যা দিয়ে আগামী ৪-৫ দিন চলবে বলে ধারণা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  

জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার নাথ বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল যতদ্রুত সম্ভব প্লান্টটি চালু করা। রোগীরা যাতে অক্সিজেন পায়।  

‘সে হিসেবে প্লান্টটি চালু করা হয়েছে। তবে প্লান্টটি যেহেতু রাস্তার পাশে তাই সুরক্ষতি রাখতে কাটা তারের বেড়া দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। ’ 

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে যেসব অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে তা প্রতিদিন তিনবার করে পূর্ণ করতে হতো। এতে মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করতে হতো হাসপাতালকে। তবে এ প্লান্ট বসানোর ফলে সরকারের অনেক টাকা সাশ্রয় হবে।  

‘কিন্তু আমরা প্লান্ট চালু করলেও হাসপাতালের যেসব সিলিন্ডার রয়েছে তা পূর্ণ করে রাখবো। কোনো কারণে প্লান্টে ত্রুটি ধরা পড়লে রোগীদের যাতে কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়। ’

প্রতিষ্ঠার পর থেকে চিকিৎসা সেবা চললেও সরকারের কোনো ‘সুনজর’ ছিল না এ হাসপাতালের প্রতি। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির পর থেকে হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে ভেন্টিলেটর সহ ১০ শয্যার আইসিইউ।