জাতীয়দেশজুড়েরাজনীতি

ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন এএসআই

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কালাদী এলাকায় এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে সেল্টার দেয়াসহ মাদক সেবনের অভিযোগে উঠেছে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের এক এএসআইয়ের বিরদ্ধে। গত শনিবার রাতে আল-আমিন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বসে এএসআই রাশিদুল হাসান মাদক সেবন করছিলেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিজের মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান এএসআই রাশিদুল হাসান। পরে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমদুল হাসান।

পরে আল আমিনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী কাঞ্চন এলাকার আরও ২ মাদক ব্যবসায়ী সামছুলের ছেলে অলিউর রহমান অলি ও রতন মিয়ার ছেলে শাজালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, আল আমিন একজন মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সে কেন গিয়েছিল এবং তার সঙ্গে এএসআই রাশিদুলের কি সম্পর্ক এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সুপার তাকে ডেকেছেন। তার বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী আল-আমিনের বাড়িতে ভোলা তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই রাশিদুল হাসান অবস্থান করে ইয়াবা সেবন করছে এমন সংবাদ পায় পুলিশ। এর ভিত্তিতে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে (এ এস আই ) রাশিদুল হাসান মোটরসাইকেল ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী আল আমিনকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তার বাড়ি থেকে ২টি রামদা ও মাদক বিক্রির নগদ ৬ হাজার ৮শ টাকা জব্দ করা হয়।

 এ ব্যাপারে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সফিকুল ইসলাম জানান, এএসইই রাশিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরে ইয়াবা সেবন ও মাদক ব্যবসায়ী আল আমিনকে সেল্টার দেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ নিয়ে তাকে কয়েক দফা সর্তক করা হয়েছে। কিন্তু সে তা কর্ণপাত করেনি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহুমুদুল হাসান বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার ব্যাপারে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।