দেশজুড়েপটিয়ার খবর

আমি কর্মপাগল মানুষ,পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম আমার স্বপ্ন- ভারপ্রাপ্ত ডিসি ইয়াসমিন পারভিন তিবরীজি

পটিয়া নিউজ: শারদীয় দুপুর। নগরীর কোর্ট বিল্ডিংস্থ পাহাড়ের খোলা আকাশে শরতের শাদা মেঘের আনাগোনা। জেলা প্রশাসক কার্যালয় ভবনটিতে গিজগিজ করছে নানাপেশার মানুষ। বেশিরভাগ আইনজীবী। তাদের মক্কেল, মামলার বাদি বিবাদি মানুষ।

সবার হাতে বগলদাবা ফাইল, নথি, দলিল কিংবা দস্তাবেজ। আর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকারী একজন নারী তাঁর দপ্তরে বসে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা একের পর এক ফোন রিসিভ করছিলেন নানা জনপদের নানা জনগণের। পটিয়া থেকে একজন বলছেন, এখানে মোবাইল কোর্ট বসার পরেও পেঁয়াজের দাম বেশি রাখা হচ্ছে। আরেকজন বলছেন এয়ারপোর্ট থেকে। একটি পণ্যের দাম লেখা আছে ৮০ টাকা, অথচ বিক্রি করছে ১০০ টাকা। আবার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আসেন সাংগঠনিক নানা অভিযোগ, অনুযোগ নিয়ে। আর ঠা-া মাথায় সঠিক তথ্য সরবরাহ করে প্রত্যেকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক (ডিডিএলজি) উপসচিব ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি। তিনি গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁর অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কর্মপাগল মানুষ। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাই আমার প্রধান কর্তব্য। আমি এই দপ্তরে একটি দায়িত্বে আছি। এটি বাড়তি দায়িত্ব পেলাম। দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যালয়ের

অধীনে আমি আনোয়ারা, পটিয়া, চট্টগ্রাম মহানগর সদর, আগ্রাবাদ, চান্দগাঁও এ এসি ল্যান্ড এর দায়িত্ব পালন করেছি। সেসব দায়িত্ব পালনকালে আমি আমার দক্ষতার পরিচয় দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি এবং অনেক প্রশংসাও কুড়িয়েছি। আমি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জি এম ছিলাম। সেখানেও কাজ করেছি। ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকায় কেন্দ্রের সামনের লেকটা মরা লেকে পরিণত হয়েছিল। আমি চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে বসে এটিকে সিস্টেমের আওতায় এনে লেকটিকে পরিচ্ছন্ন করে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে এনেছি। নারী হিসাবে ভারপ্রাপ্ত ডিসির দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কেমন লেগেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজ করতে গিয়ে কোন প্রতিবন্ধকতা পাইনি। অফিসে কিংবা বাইরে বিভিন্ন কাজ করতে গিয়ে অনেক বেশি বেশি উপভোগ করছি। একজন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সরাসরি জনগণের ফোন রিসিভ করেন বিষয়টি অনেকেরই অজানা। একদিকে ফোনে কথা বলছেন, অন্যদিকে সাক্ষাতকারী বিভিন্ন মানুষের কথা শুনছেন , আবার বিভিন্ন ফাইল সই করছেন একের পর এক। গত ২৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন দপ্তর তথ্য অধিকার পুরস্কার অর্জন করে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করেন্। তিনি বলেন, ্এই পুরস্কার অর্জন আমাদের জন্য একটি বড় পাওনা। এটি আমাদের কর্মস্পৃহা বাড়িয়েছে, এবং জনগণের জন্য কাজ করতে অনেক বেশি প্রাণিত করেছে। উল্লেখ্য, গতকাল নগরীতে‘ টক অব দ্যা টাউন’ ছিল পেঁয়াজের বাজারে মোবাইল কোর্ট। তিনিই জেলা প্রশাসকের মত নিয়ে নগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

সারাদেশে মোট আটজন নারী জেলা প্রশাসক রয়েছেন। তারা কেউ নরসিংদী, কেউ কুড়িগ্রাম. কেউবা মৌলভী বাজারে রয়েছেন। তবে ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের মতো বড় জেলায় আমরা এখনো নারী জেলা প্রশাসক পাইনি।

কাপ্তাই উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি প্রশাসন ক্যাডারে ২২তম বিসিএস। তিনি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিভাগে প্রথম বিভাগে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারি বিশ^বিদ্যালয় থেকে ‘গভরনেন্স এন্ড পাবলিক পলিসি ’ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি তিন কন্যা সন্তানের জননী। তাঁর পিতা সৈয়দ শামসুদ্দীন আহমদ তিবরীজি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন। মায়ের নাম সৈয়দা হামিদা বেগম। তাঁর স্বামী খালেদ বিন চৌধুরী একটি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান।

শারদীয় ভর দুপুর। নগরীর কোর্ট বিল্ডিংস্থ পাহাড়ের খোলা আকাশে শরতের শাদা মেঘের আনাগোনা। জেলা প্রশাসক কার্যালয় ভবনটিতে গিজগিজ করছে নানাপেশার মানুষ। বেশিরভাগ আইনজীবী। তাদের মক্কেল, মামলার বাদি বিবাদি মানুষ।

সবার হাতে বগলদাবা ফাইল, নথি, দলিল কিংবা দস্তাবেজ। আর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকারী একজন নারী তাঁর দপ্তরে বসে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা একের পর এক ফোন রিসিভ করছিলেন নানা জনপদের নানা জনগণের। পটিয়া থেকে একজন বলছেন, এখানে মোবাইল কোর্ট বসার পরেও পেঁয়াজের দাম বেশি রাখা হচ্ছে। আরেকজন বলছেন এয়ারপোর্ট থেকে। একটি পণ্যের দাম লেখা আছে ৮০ টাকা, অথচ বিক্রি করছে ১০০ টাকা। আবার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আসেন সাংগঠনিক নানা অভিযোগ, অনুযোগ নিয়ে। আর ঠা-া মাথায় সঠিক তথ্য সরবরাহ করে প্রত্যেকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক (ডিডিএলজি) উপসচিব ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি। তিনি গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁর অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কর্মপাগল মানুষ। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাই আমার প্রধান কর্তব্য। আমি এই দপ্তরে একটি দায়িত্বে আছি। এটি বাড়তি দায়িত্ব পেলাম। দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যালয়ের

অধীনে আমি আনোয়ারা, পটিয়া, চট্টগ্রাম মহানগর সদর, আগ্রাবাদ, চান্দগাঁও এ এসি ল্যান্ড এর দায়িত্ব পালন করেছি। সেসব দায়িত্ব পালনকালে আমি আমার দক্ষতার পরিচয় দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি এবং অনেক প্রশংসাও কুড়িয়েছি। আমি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত জি এম ছিলাম। সেখানেও কাজ করেছি। ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকায় কেন্দ্রের সামনের লেকটা মরা লেকে পরিণত হয়েছিল। আমি চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে বসে এটিকে সিস্টেমের আওতায় এনে লেকটিকে পরিচ্ছন্ন করে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে এনেছি। নারী হিসাবে ভারপ্রাপ্ত ডিসির দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কেমন লেগেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজ করতে গিয়ে কোন প্রতিবন্ধকতা পাইনি। অফিসে কিংবা বাইরে বিভিন্ন কাজ করতে গিয়ে অনেক বেশি বেশি উপভোগ করছি। একজন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সরাসরি জনগণের ফোন রিসিভ করেন বিষয়টি অনেকেরই অজানা। একদিকে ফোনে কথা বলছেন, অন্যদিকে সাক্ষাতকারী বিভিন্ন মানুষের কথা শুনছেন , আবার বিভিন্ন ফাইল সই করছেন একের পর এক। গত ২৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন দপ্তর তথ্য অধিকার পুরস্কার অর্জন করে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করেন্। তিনি বলেন, ্এই পুরস্কার অর্জন আমাদের জন্য একটি বড় পাওনা। এটি আমাদের কর্মস্পৃহা বাড়িয়েছে, এবং জনগণের জন্য কাজ করতে অনেক বেশি প্রাণিত করেছে। উল্লেখ্য, গতকাল নগরীতে‘ টক অব দ্যা টাউন’ ছিল পেঁয়াজের বাজারে মোবাইল কোর্ট। তিনিই জেলা প্রশাসকের মত নিয়ে নগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

সারাদেশে মোট আটজন নারী জেলা প্রশাসক রয়েছেন। তারা কেউ নরসিংদী, কেউ কুড়িগ্রাম. কেউবা মৌলভী বাজারে রয়েছেন। তবে ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের মতো বড় জেলায় আমরা এখনো নারী জেলা প্রশাসক পাইনি।

কাপ্তাই উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি প্রশাসন ক্যাডারে ২২তম বিসিএস। তিনি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিভাগে প্রথম বিভাগে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারি বিশ^বিদ্যালয় থেকে ‘গভরনেন্স এন্ড পাবলিক পলিসি ’ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি তিন কন্যা সন্তানের জননী। তাঁর পিতা সৈয়দ শামসুদ্দীন আহমদ তিবরীজি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন। মায়ের নাম সৈয়দা হামিদা বেগম। তাঁর স্বামী খালেদ বিন চৌধুরী একটি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান।