অন্যান্য সংবাদআন্তর্জাতিকজাতীয়বিনোদন

জি-৭ সম্মেলনের ফোকাস ট্রুডো-মেলানিয়ার চুমু

ফ্রান্সের বিয়ারিটজে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ এর সম্মেলন গত রোববার শুরু হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন আর বিশ্ব অর্থনীতির বিষয়ে সেখান থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে সবার নজর এখন সেদিকেই। এর মধ্যেই একটি ছবি সবার নজর কেড়েছে, যা ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিতে দেখা গেছে, স্বামীর হাত ধরা অবস্থায় মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে চুমু খাচ্ছেন। ওই সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প চোখ নিচু করে রেখেছেন। চেহারাও বেশ বিমর্ষ।

গ্লোবালনিউজসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, মেলানিয়া-ট্রুডোর চুমুর ছবিটি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। টুইটারে এটি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনাও। ছবিটি নিয়ে একেকজন নিজের মতো করে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, ছবিতে ট্রাম্পের বিমর্ষ চেহারা নিয়েও ট্রল করা হচ্ছে।

ছবিতে স্বামী ট্রাম্পের হাত ধরা অবস্থায় ট্রুডোকে চুমু খেতে যাচ্ছেন মেলানিয়া। ওই মুহূর্তে মার্কিন ফার্স্টলেডির ভঙ্গিতে অনেকেই ট্রুডোর প্রতি তার মুগ্ধতা খুঁজে পেয়েছেন।

advertisement

এ নিয়ে এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাস্টিন ট্রুডোকে দেখে মনে হচ্ছে জি-৭ সম্মেলনে কেবল মেলানিয়াকে খুঁজে পেয়েছেন। এর সঙ্গে তিনি ‘হ্যাসট্যাগ মেলানিয়ালাভসট্রুডো’ যোগ করে দিয়েছেন।

আরেকজন লিখেছেন, ‘মেলানিয়া যখন স্বামীকে পিছনে রেখে ট্রুডোকে চুমু খাচ্ছেন, তখন সবাই তাদের দিকে তাকিয়ে হাসছে।’

লোনি লাভ নামের একজন কমেডিয়ান লিখেছেন, ‘মেলানিয়া সব ধরনের ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত।’ আরেকজন লিখেছেন, ‌‘মেলানিয়াকে দোষ দেওয়া যায় না! ট্রুডোর আবেদনই এমন।’

ডিয়ান ওবায়দাল্লাহ নামে আরেকজনের আইডি থেকে লেখা হয়েছে, ছবি দেখে মনে হচ্ছে মেলানিয়াও কানাডায় পালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বিমানের কথা ভাবছেন।

অন্য এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ট্রুডোর ব্যক্তিত্বই এমন; পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তির হাত ধরেও তাকে চুমু খেতে মন চায়!

অনেকেই আবার মেলানিয়া-ট্রুডোর চুমুর ওই ছবিকে ২০১৭ সালে ভাইরাল হওয়া একটি ছবির সঙ্গে তুলনা করেছেন। সেসময় ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কাকে একই অভিব্যক্তি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ট্রুডোর দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা গেছে। ট্রুডোর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় হোয়াইট হাউজে ঘটেছিল এ ঘটনা।

এদিকে ট্রাম্পের বিমর্ষ চেহারার কথা উল্লেখ করে একজন লিখেছেন, মেলানিয়া ট্রাম্পকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিচ্ছেন