অন্যান্য সংবাদদেশজুড়েপটিয়ার খবরপ্রিয় চট্রগ্রামবিনোদন

কেপিজেড এর বাঁশের বাড়িতে আগুন

কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং বিশ্রামাগার হিসেবে ব্যবহার ও অতিথি আপ্যায়নের জন্য বাঁশ, কাঠ ও খড় দিয়ে তৈরি করেন বাঁশের বাড়ি। নাম দেন ব্যাম্বো হাউজ। কারখানাস্থাপনের আগে প্রথম স্থাপনা হিসেবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী সীমানা এলাকায় তৈরি করেন ব্যাম্বো হাউজটি। নান্দনিকতার কারণে দেশ-বিদেশে জনপ্রিয় হয় এটি।

রবিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটির জনপ্রিয়তা নিয়ে ঝড় ওঠে। এতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইপিজেড কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এ আশায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান করর্পোরেশনের কর্ণধার কিহাক সাঙকে বেসরকারি ইপিজেড প্রতিষ্ঠার জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী সীমানা এলাকায় প্রায় আড়াই হাজার একরের পাহাড়ি ভূমি বরাদ্দ দেয়। সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়ার পর পাহাড়ি এই জায়গাটি হয়ে যায় কেইপিজেড। এ কেইপিজেডের প্রথম স্থাপনা হিসেবে এটিকে কিহাক সাঙ বিশ্রামাগার হিসেবে ব্যবহার করেন এবং অতিথি আপ্যায়ন জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ব্যাম্বো হাউজটি স্থাপন করেন। সৌন্দর্য্য বাড়তে থাকলে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে ব্যাম্বো হাউজ।

কেইপিজেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মুশফিকুর রহমান বলেন, ব্যাম্বো হাউজটি কেইপিজেডের প্রথম স্থাপনা। মূল ডরমিটরির পাশে বিশ্রামাগারের আদলে বাঁশ, কাঠ ও খড় দিয়ে এটি নির্মিত হয়। সেখানে অত্যাধুনিক ৭টি বেড রুম ছিল। আগুন লাগার সময় সেখানে কেউ ছিল কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে সেখানে কোম্পানির উর্ধতন কর্তারা ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি অতিথিরা মাঝে মাঝে রাত্রি যাপন করতেন।